বর্ডার ২-এর ক্লাইম্যাক্সে চমক! ফিরলেন অক্ষয়-সুনীল, তবে রয়েছে মস্ত ‘টুইস্ট’

বি-টাউনের অন্দরে কান পাতলে এখন একটাই গুঞ্জন, ‘বর্ডার ২’। সানি দেওল যখন পর্দায় গর্জন করেন, তখন বক্স অফিসের মিটার যে চড়চড় করে বাড়বে, তা তো…

বি-টাউনের অন্দরে কান পাতলে এখন একটাই গুঞ্জন, ‘বর্ডার ২’। সানি দেওল যখন পর্দায় গর্জন করেন, তখন বক্স অফিসের মিটার যে চড়চড় করে বাড়বে, তা তো জানাই ছিল। কিন্তু এবার সানি পাজির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লাইমলাইট কেড়ে নিলেন এমন তিন অভিনেতা, যাঁদের ফেরার কথা কেউ স্বপ্নেও ভাবেনি! অক্ষয় খান্না, সুনীল শেঠি আর সুদেশ বেরি, বর্ডারের সেই আইকনিক ত্রয়ীকে ফের দেখা গেল বড় পর্দায়। তবে ধরমবীর আর ভৈরব সিংয়ের এই কামব্যাকে রয়েছে এক মস্ত বড় ‘ক্যাচ’।

Advertisements

নস্টালজিয়া যখন টেকনোলজির হাত ধরে

প্রজাতন্ত্র দিবসের সকালে থিয়েটার যখন সানি দেওলের ‘ফতেহ সিং’ অবতারে মজে আছে, তখনই এল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ছবির একদম শেষে এক আবেগঘন মুহূর্তে দেখা মিলল পুরনো সেই বন্ধুদের। তবে অক্ষয় বা সুনীল সশরীরে শুটিং সেটে হাজির হননি। টেক-দুনিয়ার লেটেস্ট সেনসেশন এআই (AI) বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জাদুতে তাঁদের সাতাশ বছর আগের সেই চেনা চেহারায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে পর্দায়। যাকে বলে একদম ‘পারফেক্ট নস্টালজিয়া ট্র্যাপ’!

   

গুরুদ্বারের সেই দৃশ্য আর চোখের জল

ছবির ক্লাইম্যাক্সে যখন সানি দেওল আর মোনা সিং গুরুদ্বারে গিয়ে শহিদ সন্তানের জন্য প্রার্থনা করছেন, তখনই ফতেহ সিংয়ের স্মৃতিপটে ভেসে ওঠেন তাঁর পুরনো সাথীরা। ধরমবীর (অক্ষয়) থেকে ভৈরব সিং (সুনীল)— ইউনিফর্ম পরা সেই হাসিমুখগুলো দেখে হলের ভেতর শিস আর তালি থামছেই না। নতুন প্রজন্মের দিলজিৎ দোসাঞ্জ আর অহন শেঠির সঙ্গে এই আইকনিক জুটির ‘ডিজিটাল রিইউনিয়ন’ যেন ছবির সবথেকে বড় ইউএসপি (USP)।

সিনেমাটি আপনার ভালো লাগুক বা না লাগুক, শেষ মুহূর্তের এই ‘সারপ্রাইজ এলিমেন্ট’ আপনার হার্টবিট যে বাড়িয়ে দেবে, তা হলফ করে বলা যায়। সানি দেওল তো মাঠ কাঁপালেনই, কিন্তু প্রযুক্তির ছোঁয়ায় পুরনোদের এই প্রত্যাবর্তনই এখন পেজ থ্রির টক অফ দ্য টাউন!

Advertisements