
দেশের কোটি কোটি এলপিজি গ্রাহকের জন্য কেন্দ্র সরকার চালু করেছে ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার ফর এলপিজি (DBTL) বা ‘পাহাল’ স্কিম। এই প্রকল্পের আওতায় প্রতিমাসে গ্যাস সিলিন্ডার কেনার পর নির্ধারিত সাবসিডির টাকা সরাসরি গ্রাহকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়। জালিয়াতি ও অনিয়ম রোধ করাই এই স্কিমের প্রধান লক্ষ্য। আবেদন করার সময় আধার নম্বর জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
সাবসিডি দেরিতে পাওয়ার সাধারণ কারণ:
সাধারণত সিলিন্ডার ডেলিভারির ২-৩ দিনের মধ্যেই সাবসিডির টাকা গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে চলে আসে। তবে অনেক সময় বিভিন্ন প্রযুক্তিগত বা ডকুমেন্ট সংক্রান্ত কারণে অর্থ আটকে যেতে পারে। আধার লিঙ্কিংয়ের ত্রুটি, ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ভুল তথ্য বা লেনদেন ব্যর্থ হওয়া—এসবই সাবসিডি না পাওয়ার সাধারণ কারণ।
ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সাবসিডি না দেখালে কী করবেন? LPG Subsidy Delayed
অনেক সময় সরকারি পোর্টাল থেকে টাকা ছাড় হলেও তা সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দেখায় না। এই ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখায় যোগাযোগ করে স্ট্যাটাস যাচাই করা উচিত। প্রয়োজনে অন্য কোনও ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার লিঙ্ক করেও সমস্যার সমাধান করা যায়। গ্যাস বুকিংয়ের পর অন্তত চার দিন অপেক্ষা করে তারপর অনুসন্ধান করতে বলা হয়েছে।
সমস্যা হলে যোগাযোগ করুন ডিবিটিএল হেল্পলাইনে:
যদি নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পরও সাবসিডির টাকা না আসে, তাহলে গ্রাহকরা যোগাযোগ করতে পারেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের ডিবিটিএল গ্রিভান্স সেলে। HP Gas, Indane এবং Bharat Gas—তিন সংস্থার গ্রাহকরাই একই নম্বরে ফোন করতে পারবেন। ডিবিটিএল হেল্পলাইন নম্বর—১৮০০-২৩৩৩-৫৫৫। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই হেল্পলাইনের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হয়ে যায় বলে জানা গেছে।
অনলাইনে কীভাবে জানবেন সাবসিডির স্ট্যাটাস?
গ্রাহকরা ঘরে বসেই অনলাইনে সাবসিডির স্ট্যাটাস চেক করতে পারেন। এই জন্য গ্যাস কোম্পানির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘Subsidy Status’ বা ‘Check PAHAL Status’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। তারপর LPG ID বা আধার নম্বর দিয়ে সাবসিডি ট্র্যাক করা যায়। ইউনিফায়েড LPG পোর্টাল mylpg.in-এ লগিন করেও একই তথ্য পাওয়া যাবে। চাইলে UMANG অ্যাপ অথবা কাস্টমার কেয়ার নম্বরেও সাবসিডি সংক্রান্ত তথ্য জানা সম্ভব।
শেষ কথা:
সাবসিডি না পাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই, কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ছোটখাটো ব্যাংক বা ডকুমেন্ট ত্রুটির কারণে অর্থ দেরিতে পৌঁছায়। এজেন্সি, ব্যাংক বা সরকারি হেল্পলাইনে যোগাযোগ করলেই সাধারণত সমস্যার দ্রুত সমাধান হয়।










