চাকরি পরিবর্তনে কর্মীদের বড় সুবিধা, জানুন EPFO-র নতুন নিয়ম

কর্মচারীদের স্বার্থে বড়সড় স্বস্তির খবর দিল এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (EPFO)। চাকরি বদলের সময় অল্প সময়ের বিরতি বা সপ্তাহান্তের ছুটিকে আর “সার্ভিস ব্রেক” হিসেবে গণ্য…

EPFO Adds 15 New Banks

কর্মচারীদের স্বার্থে বড়সড় স্বস্তির খবর দিল এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (EPFO)। চাকরি বদলের সময় অল্প সময়ের বিরতি বা সপ্তাহান্তের ছুটিকে আর “সার্ভিস ব্রেক” হিসেবে গণ্য করা হবে না। এর ফলে ভবিষ্যনিধি (PF) ও কর্মচারী আমানত সংযুক্ত বিমা (EDLI) প্রকল্পের সুবিধা আরও সহজে কর্মচারীদের পরিবার পাবে।

Advertisements

চাকরি বদলের মাঝে ৬০ দিনের ছাড়:
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এক চাকরি ছেড়ে অন্য চাকরিতে যোগ দেওয়ার মাঝখানে সর্বোচ্চ ৬০ দিন পর্যন্ত বিরতি থাকলে সেটিকে আর চাকরির বিচ্ছিন্নতা হিসেবে ধরা হবে না। অর্থাৎ, এই সময়সীমার মধ্যে নতুন কাজে যোগ দিলে কর্মচারীর সার্ভিসকে ধারাবাহিক বলে বিবেচনা করা হবে। এর ফলে PF ও বিমা সংক্রান্ত কোনও সুবিধা আর বন্ধ হবে না।

   

বিমা সুবিধায় বড় স্বস্তি:
আগে বহু ক্ষেত্রে দেখা যেত, চাকরি পরিবর্তনের সময় কর্মচারীর আকস্মিক মৃত্যুর পর পরিবারের বিমা দাবি বাতিল হয়ে যেত। কারণ হিসেবে দেখানো হত “সার্ভিস ব্রেক”। নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, যদি কোনও EPFO সদস্য শেষ চাকরি থেকে শেষ PF অবদান পাওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে মারা যান এবং কোম্পানির নথিতে তিনি কর্মচারী হিসেবেই নথিভুক্ত থাকেন, তাহলে তাঁর পরিবার EDLI প্রকল্পের আওতায় বিমার টাকা পাবেন।

সপ্তাহান্ত বা ছুটির দিন আর বাধা নয়:
শনিবার, রবিবার বা গেজেটেড ছুটির দিন যদি এক চাকরি ও অন্য চাকরির মাঝখানে পড়ে, তাহলে সেটিকেও আর সার্ভিস ব্রেক হিসেবে ধরা হবে না। এর ফলে চাকরি ছাড়ার পর পরবর্তী কাজে যোগ দেওয়ার মাঝের সপ্তাহান্তে কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে, পরিবারের বিমা পাওয়ার পথে আর বাধা থাকবে না।

ন্যূনতম বিমার অঙ্ক বাড়ল:
EPFO আরও ঘোষণা করেছে, EDLI প্রকল্পে ন্যূনতম বিমার অঙ্ক বাড়িয়ে ৫০,০০০ টাকা করা হয়েছে। যেসব কর্মচারী টানা ১২ মাস কাজ করেননি বা যাঁদের PF অ্যাকাউন্টে ৫০,০০০ টাকার কম ব্যালান্স রয়েছে, তাঁদের পরিবারও এখন এই ন্যূনতম বিমা সুবিধা পাবে।

সরকারের উদ্যোগে পরিবার সুরক্ষিত:
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক জানিয়েছে, চাকরি বদলের সময় দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুর কারণে বহু পরিবার আগে বিমা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতেন। সেই সমস্যা দূর করতেই এই মানবিক ও কর্মীবান্ধব নিয়ম চালু করা হয়েছে। নতুন নিয়মের ফলে কর্মচারীদের পরিবার আর্থিকভাবে আরও সুরক্ষিত থাকবে এবং জরুরি সময়ে দ্রুত সহায়তা পাবে।

Advertisements