Saturday, May 23, 2026
Home Bharat ফের বিপদে জাতীয় নিরাপত্তা! বিহারে গ্রেফতার পাক অস্ত্র হ্যান্ডলার মুস্তাফা

ফের বিপদে জাতীয় নিরাপত্তা! বিহারে গ্রেফতার পাক অস্ত্র হ্যান্ডলার মুস্তাফা

bihar-ats-arrests-mohammad-mustafa-pakistan-link

পাটনা: ফের ব্যাহত জাতীয় নিরাপত্তা। (Mohammad Mustafa)জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে বিহারের মুজাফফরপুর থেকে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে রাজ্যের অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড (এটিএস)। ধৃত ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ মুস্তাফা। তিনি পাকিস্তানভিত্তিক অস্ত্র চোরাচালানকারী শাহজাদ ভাট্টির গ্যাংয়ের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়া এবং এনক্রিপ্টেড অ্যাপের মাধ্যমে সংবেদনশীল স্থানের ছবি, ভিডিও ও লোকেশন শেয়ার করে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালানোর অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

- Advertisement -

গোপন সূত্রের ভিত্তিতে এটিএসের স্পেশাল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট মুজাফফরপুরের রতনপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে মোহাম্মদ মুস্তাফাকে ধরে ফেলে। তাঁর বাবা মোহাম্মদ সাগিরকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে উদ্ধার হওয়া ডিজিটাল প্রমাণ থেকে জানা গেছে, মুস্তাফা দীর্ঘদিন ধরে বিদেশি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছিলেন।

   

আরও দেখুনঃ ‘ইসলামে গরু জবাইয়ের কোনও জায়গা ছিল না!’ বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ

তিনি দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানের জিওট্যাগ করা ছবি ও ভিডিও এনক্রিপ্টেড অ্যাপসের মাধ্যমে পাঠাতেন। এসব তথ্য পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত নেটওয়ার্কের কাছে পৌঁছাতো বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।এটিএস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মোহাম্মদ মুস্তাফা পাকিস্তানের শাহজাদ ভাট্টি এবং তাঁর সহযোগী রানা হুনাইনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। শাহজাদ ভাট্টিকে পাকিস্তানের আন্ডারওয়ার্ল্ড ফিগার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যিনি অস্ত্র চোরাচালানের পাশাপাশি ভারতবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত।

ভাট্টির নেটওয়ার্কের সঙ্গে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের যোগসূত্র রয়েছে বলে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা মনে করে।এই গ্রেফতারকে বিহার পুলিশের এক বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটিএসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে যে মুস্তাফা অ্যান্টি-ইন্ডিয়া শক্তির হয়ে কাজ করছিলেন। তিনি জাতীয় নিরাপত্তাকে বিপন্ন করার ষড়যন্ত্রে অংশ নিয়েছিলেন।” উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ ও অন্যান্য ডিভাইস থেকে বিপুল পরিমাণ ডেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ জানতে চাইছে, তাঁর মাধ্যমে কোনো বিদেশি অর্থ এসেছে কি না।মুজাফফরপুরের স্থানীয় বাসিন্দারা এই খবরে চাঞ্চল্য প্রকাশ করেছেন। রতনপুর গ্রামের এক বাসিন্দা জানান, “মুস্তাফা সাধারণ যুবক বলেই আমরা জানতাম। এমন কাজে জড়িত থাকবে ভাবতে পারিনি।” অন্যদিকে, নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের ঘটনা দেখিয়ে দিচ্ছে যে সীমান্তের ওপার থেকে ভারতের অভ্যন্তরে ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে কীভাবে ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়া এবং হোয়াটসঅ্যাপ, সিগন্যালের মতো এনক্রিপ্টেড অ্যাপগুলো এখন গোয়েন্দা তৎপরতার নতুন ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।

Follow on Google