
ব্যারাকপুর: ভোট গণনা কেন্দ্রে তথ্য হ্যাকিংয়ের আশঙ্কা! (Barrackpore counting)ব্যারাকপুরের নোয়াপাড়া থেকে বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং এক ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুলে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, বিডিও ও এসডিও অফিসে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করে গণনাকেন্দ্রের তথ্য হ্যাকিংয়ের পরিকল্পনা চলছে। এই অভিযোগ ঘিরে ব্যারাকপুর সহ উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।অর্জুন সিং বলেন, “এটা গণতন্ত্রের ওপর আঘাত।
ভোট গণনার আগেই অস্থায়ী কর্মীদের মাধ্যমে সিস্টেমে ঢুকে তথ্য পাল্টানোর চেষ্টা হচ্ছে। বিডিও ও এসডিও অফিসে হঠাৎ করে বেশ কয়েকজন অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁদের কাজ কী, কেন নিয়োগ করা হল এসব নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে।” তিনি আরও জানান, এই কর্মীদের মাধ্যমে ইভিএম ও ভোট সংক্রান্ত ডেটাবেসে অনধিকার প্রবেশের আশঙ্কা রয়েছে।নোয়াপাড়ার এই বিজেপি প্রার্থী বলেন, “আমরা সতর্ক আছি।
যদি কোনো কারচুপি হয়, তাহলে আমরা ছাড়ব না। নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে তদন্ত করতে হবে।” অর্জুন সিংয়ের এই অভিযোগের পর বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ বেড়েছে। অনেকে গণনাকেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানা গেছে।স্থানীয় বাসিন্দারা এই খবরে উদ্বিগ্ন। একজন বয়স্ক ভোটার বলেন, “আমরা ভোট দিয়েছি ভেবে যে সঠিক ফলাফল আসবে। এখন যদি হ্যাকিংয়ের মতো ঘটনা ঘটে, তাহলে গণতন্ত্র বাঁচবে কী করে? প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে দেখতে হবে।”
আরেক যুবকের কথায়, “অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ যদি সত্যি হয়, তাহলে এটা খুবই গুরুতর বিষয়। নির্বাচন কমিশনের উচিত তাৎক্ষণিক তদন্ত করে সবকিছু স্বচ্ছ করা।”বিজেপি জেলা নেতৃত্ব অর্জুন সিংয়ের অভিযোগকে পুরোপুরি সমর্থন করেছে। দলের এক নেতা বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকার জন্য সবকিছু করতে পারে। আমরা এনআইএ বা সাইবার সেলের তদন্ত চাই।
গণনাকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তা ও ওয়েবকাস্টিং নিশ্চিত করতে হবে।” তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্য এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্ব অভিযোগ করেছে “অর্জুন সিং হেরে যাওয়ার আগেই অজুহাত তৈরি করছে। প্রশাসন স্বচ্ছভাবে কাজ করছে। এসব অভিযোগ শুধুমাত্র বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা।” তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।













