এবার ডেবরা থেকে গ্রেফতার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা হুমায়ুন কবীর

পশ্চিম মেদিনীপুর: বঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে তুমুল চাঞ্চল্য। (Humayun Kabir)ডেবরা থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন ডেবরা ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির প্রভাবশালী সদস্য এবং ডেবরা ব্লক তৃণমূল…

humayun-kabir-arrest-debra-tmc-leader-west-medinipur

পশ্চিম মেদিনীপুর: বঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে তুমুল চাঞ্চল্য। (Humayun Kabir)ডেবরা থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছেন ডেবরা ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির প্রভাবশালী সদস্য এবং ডেবরা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি হুমায়ুন কবীর। শাসকদলের একজন দাপুটে নেতার এভাবে গ্রেফতার হওয়ায় স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশের তথ্য অনুসারে, নির্দিষ্ট কয়েকটি অভিযোগের ভিত্তিতে ডেবরা থানার পুলিশ তৎপর হয়ে হুমায়ুন কবীরকে গ্রেফতার করে। তবে কী ধরনের অভিযোগে এবং ঠিক কোন মামলায় তাঁকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনও বিস্তারিত কোনো বক্তব্য দেয়নি। এই গ্রেফতারের ঘটনা ডেবরা ব্লকের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, শাসকদলের অন্দরেই কোনো অসন্তোষ বা কোন্দলের ফল হিসেবে এই ঘটনা ঘটল কি না।

   

আরও দেখুনঃ মালদায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নাবালিকাদের যৌন হয়রানি! গ্রেফতার সাকলিন আহমেদ

গ্রেফতারের পর সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন হুমায়ুন কবীর নিজেই। তিনি দাবি করেন, তাঁকে সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তাঁর ভাষায়, “বর্তমান শাসকদলেরই একাংশ আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেছে। একজন মহিলাকে আড়াল থেকে ব্যবহার করে আমার বিরুদ্ধে দু’দুবার সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য একটাই আমাকে রাজনৈতিকভাবে কালিমালিপ্ত করা এবং দলের মধ্যে আমার অবস্থান দুর্বল করা।”

হুমায়ুন কবীর ডেবরা ব্লকে তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে বেশ পরিচিত মুখ। পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রাজনীতি করছেন। তাঁর গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই দলের অন্দরে এবং বিরোধী শিবিরে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, এটি দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের বহিঃপ্রকাশ।

আবার কেউ মনে করছেন, স্থানীয় স্তরে কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ থেকেও এই ঘটনা ঘটতে পারে।তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা নেতৃত্ব এখনও এই গ্রেফতার নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তবে স্থানীয় স্তরে দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। অনেক কর্মী হুমায়ুন কবীরের সমর্থনে সোচ্চার হয়েছেন এবং দ্রুত তাঁর মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলো এই ঘটনাকে শাসকদলের দুর্নীতি ও অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরছে।