ফের উত্তপ্ত ভাটপাড়া, বোমাবাজির অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা

ভাটপাড়া পুরসভার (Bhattapara) ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মণ্ডলপাড়া এলাকায় শনিবার ভোরে আচমকা বোমাবাজির অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভোরের দিকে হঠাৎই একাধিক…

kharg-island-us-bombing-trump-iran-oil-strike

ভাটপাড়া পুরসভার (Bhattapara) ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মণ্ডলপাড়া এলাকায় শনিবার ভোরে আচমকা বোমাবাজির অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ভোরের দিকে হঠাৎই একাধিক বোমার শব্দে এলাকা কেঁপে ওঠে। ঘুম ভেঙে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকাবাসী। মুহূর্তের মধ্যে অনেকে বাড়ি থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন, তবে ঘটনাস্থলে কাউকে দেখতে না পাওয়ায় আতঙ্ক আরও বাড়তে থাকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, (Bhattapara) ভোর প্রায় সাড়ে চারটা থেকে পাঁচটার মধ্যে এই ঘটনাটি ঘটে। একের পর এক বিকট শব্দে গোটা এলাকা থমথমে হয়ে যায়। প্রথমে অনেকে মনে করেন হয়তো কোনও বাজি বা বিস্ফোরণের শব্দ, কিন্তু পরে কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেন, তারা বোমার মতো শব্দ স্পষ্টভাবে শুনেছেন। এরপরই পুরো এলাকায় গুজবের মতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

   

ঘটনার পর স্থানীয় মানুষজন রাস্তায় বেরিয়ে এসে চারপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। তবে কোনও সন্দেহজনক ব্যক্তি বা দলকে দেখতে না পাওয়ায় আতঙ্ক আরও বেড়ে যায়। অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, ভোরের অন্ধকারে কোনও দুষ্কৃতীচক্র এই ঘটনা ঘটিয়ে দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার খবর পেয়ে পরে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন এলাকায় পৌঁছায়। পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে তল্লাশি চালায় এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। প্রাথমিকভাবে কিছু সন্দেহজনক চিহ্ন পাওয়া গেছে কি না, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। পুলিশ আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে।

এদিকে এই ঘটনার পর এলাকায় নতুন করে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করছেন, এই ধরনের ঘটনা আগেও ঘটেছে, কিন্তু স্থায়ী সমাধান হয়নি। ফলে দুষ্কৃতীরা আবারও সাহস পাচ্ছে বলে তাদের দাবি। অনেকেই রাতে এবং ভোরের দিকে পুলিশের টহল আরও বাড়ানোর দাবি তুলেছেন।

স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, “হঠাৎ বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। মনে হয়েছিল যেন কিছু ফেটে গেছে। বাইরে বেরিয়ে দেখি সবাই রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু কেউ কিছু বুঝতে পারছে না।” অন্য একজন বাসিন্দার বক্তব্য, “এই ধরনের ঘটনা বারবার ঘটছে। আমরা আতঙ্কে আছি, বিশেষ করে বয়স্ক ও শিশুরা বেশি ভয় পাচ্ছে।”