১০,০০০ অনুপ্রবেশকারী পুশব্যাক! হোল্ডিং সেন্টারে আরও ১৮০০ র হিসেবে শুভেন্দুর

কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় এক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করে (Suvendu Adhikari)বলেছেন, তাঁর সরকার ইতিমধ্যে ১০ হাজার অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে। এছাড়া আরও ১,৮০০ জনকে…

suvendu-adhikari-infiltration-pushback-claim

কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় এক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করে (Suvendu Adhikari)বলেছেন, তাঁর সরকার ইতিমধ্যে ১০ হাজার অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছে। এছাড়া আরও ১,৮০০ জনকে ১২টি আটককেন্দ্রে রাখা হয়েছে, যাদের শীঘ্রই পুশব্যাক করা হবে।মঙ্গলবার বিধানসভায় বিরোধীদের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে আমরা শূন্য সহনশীলতার নীতি গ্রহণ করেছি।

সীমান্তে কড়া নজরদারি, যৌথ অভিযান এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা এ পর্যন্ত ১০ হাজার অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়েছি। আরও ১,৮০০ জন বর্তমানে বিভিন্ন আটককেন্দ্রে রয়েছে। তাদের পুশব্যাক প্রক্রিয়া দ্রুত এগোচ্ছে।”শুভেন্দু আধিকারী আরও জানান, এই অভিযানে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ), রাজ্য পুলিশ ও জেলা প্রশাসন সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

   

আরও দেখুনঃ ইডির নজরে শান্তনু-ঘনিষ্ঠ ৩ অফিসার, তলব সোনা পাপ্পুর স্ত্রীকেও

তিনি বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশ শুধু আইনশৃঙ্খলার সমস্যা নয়, এটি স্থানীয় জনসংখ্যার ভারসাম্য, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার উপরও প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে এই সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছিল।বিধানসভায় বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস এই ঘোষণাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আক্রমণ করে। তৃণমূলের এক নেতা বলেন, “এই সংখ্যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

আগের সরকারের আমলে যেভাবে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে, তার চেয়ে এখন কোনো উন্নতি হয়নি। এটা শুধু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে টার্গেট করে রাজনীতি করা।” তবে সরকারি দলের নেতারা পাল্টা জবাব দিয়ে বলেন, দীর্ঘদিনের অবহেলার ফল এখন সংশোধন করা হচ্ছে।সীমান্তবর্তী জেলা উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া ও মালদায় এই অভিযান বিশেষ জোরদার করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। একজন মুর্শিদাবাদের কৃষক বলেন, “আমাদের জমিতে অনেকেই অনুপ্রবেশ করে চাষ করত। এখন পুলিশের টহল বেড়েছে, কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছি।”তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাঁরা বলছেন, প্রত্যাবাসনের সময় যাতে কোনো নিরীহ মানুষ হয়রানির শিকার না হয় এবং আইনি প্রক্রিয়া যথাযথভাবে মানা হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে। কয়েকটি সংগঠন ইতিমধ্যে আটককেন্দ্রগুলোতে পরিদর্শনের দাবি জানিয়েছে।