পাটনা: বিহারের একটি মাদ্রাসার পরিচালক ইজহার উল হককে (Izhar Ul Haq)মধ্যপ্রদেশের অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড (এটিএস) গ্রেফতার করেছে। জঙ্গি র্যাডিক্যালাইজেশন মডিউলের অভিযোগে তাঁকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, তিনি পাকিস্তানি হ্যান্ডলারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। এই গ্রেফতারের ফলে মামলায় মোট আটকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারজনে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইজহার উল হক বিহারের কোনো একটি জেলায় মাদ্রাসা চালাতেন। দীর্ঘদিন ধরে তাঁর বিরুদ্ধে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে উগ্রবাদী চিন্তাধারা ছড়ানোর অভিযোগ উঠছিল। এমপি এটিএসের একটি টিম গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাঁকে বিহার থেকে আটক করে ভোপালে নিয়ে আসে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি পাকিস্তানি হ্যান্ডলারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
আরও দেখুনঃ https://kolkata24x7.in/india/13-bangladeshis-detained-gurugram/
তাঁর ফোন, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ও অন্যান্য ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করে তদন্ত শুরু হয়েছে।এই মামলায় এর আগে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে কয়েকজন যুবকও রয়েছে যাঁরা কথিতভাবে অনলাইনের মাধ্যমে উগ্রবাদে প্রভাবিত হয়েছিলেন। পুলিশের অনুসন্ধানে জানা গেছে, একটি সংঘবদ্ধ নেটওয়ার্ক দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিশেষ করে যুব সমাজের মধ্যে ধর্মীয় উগ্রবাদ ছড়ানোর চেষ্টা করছিল।
ইজহার উল হককে এই নেটওয়ার্কের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য বলে মনে করা হচ্ছে।মধ্যপ্রদেশ এটিএসের এক কর্মকর্তা বলেন, “আমরা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কাজ করছি। এই মডিউলটি শুধু বিহার বা মধ্যপ্রদেশে সীমাবদ্ধ নয়, এর শেকড় আরও গভীরে। পাকিস্তানি হ্যান্ডলারের সঙ্গে যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে। আমরা পুরো নেটওয়ার্ককে চিহ্নিত করার চেষ্টা করছি।” তদন্তকারীরা আরও জানিয়েছেন, ইজহারের মাদ্রাসায় পড়ুয়াদের মধ্যে থেকে কয়েকজনকে উগ্রবাদী ভিডিও ও লিটারেচার দেখানো হতো বলে অভিযোগ উঠেছে।



