নিট কেলেঙ্কারিতে সরগরম দেশ, কেন্দ্রকে, শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে পথে রাহুল

নিট (NEET) প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারি ঘিরে জাতীয় রাজনীতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়ে ওঠা প্রশ্নে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ…

rahul-gandhi-drone-remark-india-defence

নিট (NEET) প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারি ঘিরে জাতীয় রাজনীতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়ে ওঠা প্রশ্নে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ আরও জোরদার করেছে বিরোধী দলগুলি। এই পরিস্থিতিতে দেশের যুবসমাজ, ছাত্রছাত্রী এবং চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করতে নতুন কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামছেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) ।

কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, এই নতুন উদ্যোগ অনেকটাই দলের জনপ্রিয় ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’-র ধাঁচে পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে এবারের মূল লক্ষ্য রাজনৈতিক প্রচারের পাশাপাশি শিক্ষাক্ষেত্রের সংকট, পরীক্ষায় অনিয়ম এবং চাকরির সুযোগ-সংক্রান্ত সমস্যাগুলিকে সামনে আনা। বিশেষ করে নিট কেলেঙ্কারি নিয়ে দেশজুড়ে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, তাকে কেন্দ্র করেই এই কর্মসূচির রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

   

কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল কর্মসূচির বিস্তারিত সূচি প্রকাশ করে জানিয়েছেন, আগামী ১৭ জুন রাজস্থানের কোটা শহর থেকে এই জনসংযোগ অভিযানের সূচনা করবেন রাহুল গান্ধী। উল্লেখ্য, কোটা দেশের অন্যতম বৃহৎ কোচিং হাব হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী সেখানে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে যান। ফলে শিক্ষার্থীদের সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরার জন্য কোটা থেকেই কর্মসূচি শুরু করার সিদ্ধান্ত বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

সূত্রের খবর, কোটা সফরের পর আগামী ১০ জুলাই এলাহাবাদ, ১১ জুলাই পাটনা এবং ১৪ জুলাই দিল্লিতে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন রাহুল গান্ধী(Rahul Gandhi) । এই সফরগুলিতে তিনি ছাত্রছাত্রী, সরকারি চাকরিপ্রার্থী, গবেষক, শিক্ষাবিদ এবং যুব সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করবেন। তাঁদের অভিযোগ, অভাব-অভিযোগ এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগের বিষয়গুলি শুনে তা রাজনৈতিক মঞ্চে তুলে ধরার আশ্বাসও দেওয়া হবে।

কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ড দেশের শিক্ষাব্যবস্থার ওপর সাধারণ মানুষের আস্থাকে ধাক্কা দিয়েছে। লক্ষ লক্ষ পরিশ্রমী ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে শুধু তদন্ত করলেই হবে না, দায় নির্ধারণ করে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করাও জরুরি। সেই কারণেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে শুরু থেকেই সরব হয়েছেন রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস নেতৃত্ব