অন্নপূর্ণা ভান্ডার (Annapurna Bhandar) প্রকল্পকে কেন্দ্র করে রাজ্যে একদিকে যেমন উৎসাহ ও প্রত্যাশা বাড়ছে, অন্যদিকে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ায় দেখা দিয়েছে বড় ধরনের প্রযুক্তিগত জটিলতা। প্রকল্পের ভাতা পাওয়ার (Annapurna Bhandar Online Portal) অন্যতম প্রাথমিক শর্ত ছিল ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT) লিঙ্ক করা। সেই কাজ শুরু (Annapurna Bhandar Online Portal) হওয়ার পর থেকেই সরকারি অনলাইন ব্যবস্থায় চাপ বাড়তে শুরু করে এবং প্রথম দফাতেই DBT লিঙ্কিংয়ের ওয়েবসাইটে সমস্যা দেখা দেয় বলে জানা যায়।
প্রশাসনিক সূত্রে খবর, একসঙ্গে বিপুল (Annapurna Bhandar) সংখ্যক আবেদনকারী অনলাইনে DBT লিঙ্ক করার চেষ্টা করায় সিস্টেমের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। ফলে নির্ধারিত পোর্টালটি প্রথম পর্যায়েই ক্র্যাশ করে যায়। যদিও পরবর্তীতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু এবার অন্নপূর্ণা ভান্ডারের মূল আবেদন পোর্টালেও দেখা দিয়েছে বড় সমস্যা।(Annapurna Bhandar Online Portal) বুধবার থেকে শুরু হয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনার প্রথম দফার অর্থ বিতরণের প্রক্রিয়া। অনেক আবেদনকারীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ইতিমধ্যেই টাকা পৌঁছনোর কথা রয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। একইসঙ্গে মঙ্গলবার থেকেই অনলাইনে ফর্ম ফিলআপ শুরু হয় এই প্রকল্পের জন্য। কিন্তু আবেদনকারীরা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে গিয়ে সমস্যার মুখে পড়ছেন।
সরকারি ওয়েবসাইট https://socialregistry.wb.gov.in/ খুলতে গেলে দেখা যাচ্ছে “We will be Back Soon” বার্তা। ফলে অনেক ব্যবহারকারীই অনলাইনে ফর্ম পূরণ করতে পারছেন না। রাজ্যজুড়ে বহু মানুষ একসঙ্গে লগইন করার চেষ্টা করায় সার্ভারের উপর চাপ বেড়ে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। (Annapurna Bhandar Online Portal) এই প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ ও উদ্বেগও তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যারা দ্রুত ফর্ম জমা দিতে চেয়েছিলেন এবং যোজনার সুবিধা পাওয়ার আশায় ছিলেন, তাঁরা সমস্যার মুখে পড়েছেন। প্রশাসনের তরফে যদিও দ্রুত সমস্যার সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে জানানো হয়েছে, তবুও(Annapurna Bhandar) এখনও পর্যন্ত পুরোপুরি পরিষেবা স্বাভাবিক হয়নি।
অন্যদিকে, অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের ফর্ম(Annapurna Bhandar) ফিলআপের জন্য কী কী নথি প্রয়োজন, তা নিয়েও সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ দেখা দিয়েছে। প্রশাসনিক নির্দেশিকা অনুযায়ী আবেদন করার জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রথমত, আধার কার্ড থাকা আবশ্যক, কারণ আধার নম্বরের মাধ্যমেই DBT লিঙ্কিং সম্পন্ন করা হয়। দ্বিতীয়ত, ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড, ব্যাঙ্ক পাসবই এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য জমা দিতে হবে। এই নথিগুলি যাচাইয়ের মাধ্যমেই আবেদনকারীর পরিচয় ও যোগ্যতা নিশ্চিত করা হবে।
এছাড়া বসবাসের প্রমাণপত্র হিসেবেও কিছু নথি প্রয়োজন হতে পারে, যেমন বিদ্যুৎ বিল বা জলের বিল। পাশাপাশি সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের ছবিও আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, অনলাইন পোর্টালের সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য প্রযুক্তিগত টিম কাজ করছে। সার্ভারের উপর অতিরিক্ত চাপ কমিয়ে পরিষেবা স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। একইসঙ্গে আবেদনকারীদের ধৈর্য ধরার অনুরোধও জানানো হয়েছে।




















