গণনাকেন্দ্রে ঢুকতে এবার ‘QR কোড’! অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া কমিশন

কলকাতা: ৪ মে-র মহারণের আগে ভোট গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করতে কোমর বেঁধে নামল নির্বাচন কমিশন। এবার আর শুধু পরিচয়পত্র দেখালেই মিলবে না প্রবেশাধিকার, বরং জালিয়াত…

Election Commission QR Code Security

কলকাতা: ৪ মে-র মহারণের আগে ভোট গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করতে কোমর বেঁধে নামল নির্বাচন কমিশন। এবার আর শুধু পরিচয়পত্র দেখালেই মিলবে না প্রবেশাধিকার, বরং জালিয়াত রুখতে আনা হচ্ছে QR কোড ভিত্তিক ডিজিটাল ফটো আইডেন্টিটি কার্ড। আগামী ২ মে থেকেই এই নয়া নিয়ম কার্যকর হতে চলেছে। রাজ্য-সহ পাঁচ রাজ্যের ভোট গণনায় পরীক্ষামূলকভাবে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।

তিন স্তরের কড়া নিরাপত্তা

কমিশন সূত্রে খবর, গণনাকেন্দ্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে এবার থেকে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় থাকবে। একদম শেষ ধাপে পরিচয়পত্রের QR কোড স্ক্যান করার পরেই ভেতরে ঢোকার অনুমতি পাবেন গণনাকর্মী, প্রার্থীর এজেন্ট এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। অননুমোদিত প্রবেশ রুখতে এবং গণনার স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই কড়া পদক্ষেপ। ভবিষ্যতে দেশের সমস্ত লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে এই পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করা হবে।

   

রি-পোল নিয়ে স্ক্রুটিনি

দ্বিতীয় দফার ভোটে রাজ্যের একাধিক জায়গায় অশান্তির অভিযোগ ওঠায় কড়া অবস্থান নিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল। বৃহস্পতিবার তিনি জানিয়েছেন, প্রতিটি অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং বর্তমানে রি-পোল বা পুনর্নির্বাচন নিয়ে স্ক্রুটিনি চলছে। এই প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলের প্রার্থী এবং ফিল্ড লেভেল অফিসাররাও উপস্থিত রয়েছেন। প্রয়োজনীয় তথ্যপ্রমাণ মিললে নির্দিষ্ট বুথগুলিতে পুনরায় ভোট গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।

সরাসরি নজরদারিতে সিইও

গণনাকেন্দ্রের প্রস্তুতিতে কোনও ফাঁক রাখতে চান না সিইও। তিনি জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে শুরু করে ওয়েব কাস্টিং ক্যামেরা, সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এমনকি তিনি নিজে কয়েকটি গণনাকেন্দ্র সশরীরে পরিদর্শন করবেন বলেও জানিয়েছেন। পর্ণশ্রীর সাম্প্রতিক ঘটনা নিয়ে কলকাতা পুলিশের সিপি-র সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে কমিশন।