নিয়ম ভাঙলেই জেল! রাজ্যজুড়ে কমিশনের কঠোর পদক্ষেপ

Election Commission QR Code Security

ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। কিন্তু তার আগেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর সামনে আসতে শুরু করেছে। নির্বাচনের (Election Commission) আবহে সাধারণত রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ে, তবে এবারের পরিস্থিতি যেন একটু আগেভাগেই তীব্র হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন জায়গায় ছোটখাটো সংঘর্ষ, বিক্ষোভ, এমনকি আইনশৃঙ্খলা ভাঙার ঘটনাও নজরে আসছে। এই প্রেক্ষাপটে উদ্বিগ্ন নির্বাচন কমিশন কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিশেষ করে কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-এর দফতরে গত মঙ্গলবার যে বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে, তা কার্যত নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন প্রশাসনিক মহল। সাধারণত নির্বাচন কমিশনের(Election Commission) অফিস এমনভাবে বিক্ষোভের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে না। কিন্তু এবারে পরিস্থিতি অন্যরকম। বিক্ষোভকারীরা হঠাৎ করেই সেখানে জড়ো হন এবং দীর্ঘক্ষণ ধরে উত্তেজনা ছড়ায়। এই ঘটনার পরই কমিশন বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখতে শুরু করে।

   

এছাড়াও মালদহের কালিয়াচকে ঘটে যাওয়া একটি গুরুতর ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)-র তদন্তের নির্দেশ দিতে হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে।(Election Commission) ভোট ঘোষণার পর এমন ধরনের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া অত্যন্ত বিরল ঘটনা। সাধারণত নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামলাতে রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী কাজ করে, কিন্তু এনআইএ-র মতো কেন্দ্রীয় সংস্থাকে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত পরিস্থিতির গুরুত্বই প্রমাণ করে।পরপর এই সমস্ত ঘটনার জেরে নির্বাচন কমিশন এবার আর কোনও ঝুঁকি নিতে রাজি নয়। কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, রাজ্যের কোথাও বেআইনি জমায়েত বরদাস্ত করা হবে না। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার থেকেই গোটা রাজ্যে বেআইনি জমায়েতের উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হচ্ছে। এই নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর কোনও রাজনৈতিক দল, সংগঠন বা ব্যক্তি অনুমতি ছাড়া মিছিল, সভা বা জমায়েত করতে পারবেন না।