সেবাশ্রয়’ প্রকল্প নিয়ে ব্যস্ততার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের ডায়মন্ড হারবারের সংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেছেন, যা রাজনৈতিক মহলে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। পোস্টটির মধ্যে তিনি একটি সাদা-কালো ছবি শেয়ার করেছেন, এবং ছবির সাথে একটি ইংরেজি বার্তা লিখেছেন, “হি হু উইশেস টু ফাইট মাস্ট ফার্স্ট কাউন্ট দ্য কস্ট”, যা বাংলা তর্জমায় দাঁড়ায়, “যিনি লড়াই করতে চাইবেন, তাঁকে আগে মূল্য চোকাতে হবে।”
এবার প্রশ্ন উঠছে, এই ইনস্টাগ্রাম স্টোরির মাধ্যমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক কাকে বার্তা দিতে চাইছেন? তাঁর এই মন্তব্য কি কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বা প্রতিদ্বন্দ্বীকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে, নাকি এটি শুধু সাধারণভাবে একটি উপদেশ বা সতর্কতা?
এই পোস্টের মাধ্যমে অভিষেক যে বার্তা দিতে চাইছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছে। বিশেষত, তাঁর “মূল্য চোকাতে হবে” বলে অভিহিত করাকে। সেই বার্তাটি কি কোনও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বা দলের নেতা বা কর্মীকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে? যে কারণে, এই পোস্টটি সবার নজর কাড়ছে এবং সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হচ্ছে।
কোভিডকালীন সময়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল, আর এবার তিনি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় নতুন একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছেন। ‘সেবাশ্রয়’ নামক এই প্রকল্পটির উদ্বোধন করা হয় ২ জানুয়ারি, ডায়মন্ড হারবারে।
এই প্রকল্পের আওতায় ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের ৭টি বিধানসভায় বিনামূল্যে স্বাস্থ্যশিবিরের আয়োজন করা হচ্ছে। শিবিরের কার্যক্রম শুরু হয় ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা এলাকা থেকে, যেখানে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে উপস্থিত হয়ে শিবিরের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
‘সেবাশ্রয়’ প্রকল্পটি স্থানীয় মানুষের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, এবং হাজার হাজার মানুষ এতে স্বাস্থ্য সেবা পাচ্ছেন। এই উদ্যোগটি সাধারণ মানুষের জন্য এক আশীর্বাদ হয়ে উঠেছে, যা তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, লক্ষ লক্ষ মানুষ এই প্রকল্পের মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছেন, এবং তাদের সুখী ও সুস্থ জীবনযাত্রার জন্য এটি একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করছে।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে অভিষেকের পরিকল্পনা হলো, সমাজের সর্বস্তরের মানুষের স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ নিশ্চিত করা, যা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হতে পারে।