পিপিপি মডেলে স্কুল চালু করার পরিকল্পনা শিক্ষা দফতরের

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান এরপর বুধবার থেকে স্কুলে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছে কচিকাচারা। করোনা কালে এবার পিপিপি মডেলে স্কুল খোলার পরিকল্পনা করছে শিক্ষা দফতর। শীঘ্রই এই প্রস্তাব…

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান এরপর বুধবার থেকে স্কুলে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছে কচিকাচারা। করোনা কালে এবার পিপিপি মডেলে স্কুল খোলার পরিকল্পনা করছে শিক্ষা দফতর। শীঘ্রই এই প্রস্তাব রাজ্য মন্ত্রীসভায় পেশ করা হবে। 

সূত্রের খবর, রাজ্যের স্কুলগুলির পরিকাঠামোগত ক্ষেত্র বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হবে। বেসরকারি লগ্নি সংস্থাগুলি প্রয়োজনমতো স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মী নিয়োগ করতে পারবে। পড়াশোনা সহ যাবতীয় খরচ হিসাব করে স্কুল ফি নির্ধারণ করবে বেসরকারি সংস্থাগুলিই। তবে রাজ্য সরকার যে স্কুল বেসরকারিকরণের পথে হাঁটছে একথা একেবারেই ভুল। 

   

মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেলেই চূড়ান্ত কাজ শুরু করা হবে। এআইডিএসও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য শিক্ষা কমিটির আরবে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই পিপিপি মডেলের খসড়া তৈরি করে ফেলেছে এমনকি শিল্পপতিদের সঙ্গে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা শেষ। 

পিপিপি মডেল চালু হলে শিক্ষাব্যবস্থার হাল ফিরবে বলে দাবি শিক্ষা দফতরের। কিন্তু বিরোধীরা মনে করছে, স্কুলগুলিকেও বেসরকারিকরণের পথে পাঠিয়ে দিয়ে বাংলার পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ছেলেখেলা করা হচ্ছে।