হাদির কায়দায় এন সি পি নেতার মাথায় গুলি

ঢাকা:সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর রেশ না (NCP leader shot in Khulna)কাটতেই এবার প্রকাশ্যে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) খুলনা বিভাগীয়…

ncp-leader-motaleb-shikder-shot-khulna

ঢাকা:সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর রেশ না (NCP leader shot in Khulna)কাটতেই এবার প্রকাশ্যে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) খুলনা বিভাগীয় প্রধান ও শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মোতালেব শিকদার। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা তার মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালায়, যার ফলে গুলি তার কানের কাছে লাগে।

Advertisements

আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার অবস্থা গুরুতর এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা মিতু তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন।

   

“কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়”—কোডিন মামলায় হুঁশিয়ারি যোগীর

তিনি লেখেন, “এনসিপির খুলনা বিভাগীয় প্রধান এবং এনসিপি শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় সংগঠক মোতালেব শিকদারকে একটু আগে গুলি করা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় খুলনা মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে।” এই পোস্টের মাধ্যমে ঘটনাটি দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, উপস্থিত লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে।এই হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। মাত্র কয়েকদিন আগে, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে একইভাবে প্রকাশ্যে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন শরিফ ওসমান হাদি। তিনি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র এবং জুলাই অভ্যুত্থানের একজন প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। গুলি তার মাথায় লাগে।

প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তার মৃত্যু হয়। ওসমান হাদির মৃত্যুতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ, ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। অনেকে এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ফল বলে মনে করেন। তার মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয় এবং দেশের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

Advertisements