
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা তুঙ্গে। (Sunil Bansal)দলের নেতৃত্বের একাংশ দিল্লি যাচ্ছেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়তেই জল্পনা শুরু হয়েছে কে হবেন বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী? এই প্রেক্ষাপটে বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসল স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এখনও এই নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। তিনি বলেছেন, “অনেক অনেক অভিনন্দন সবাইকে।
আমি দিল্লি যাচ্ছি এবং এই বিষয়ে কোনো কথা হয়নি।”নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই বিজেপি শিবিরে উৎসবের আমেজ। যে দলকে একসময় বাংলায় ‘বহিরাগত’ বলে ট্যাগ দেওয়া হতো, সেই দলই এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্গ ভেঙে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। আর এই জয়ের পেছনে সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব দেওয়া হচ্ছে সুনীল বনসলকে। উত্তরপ্রদেশ, ওড়িশা, তেলেঙ্গানায় সাংগঠনিক সাফল্যের পর বাংলায় এসে তিনি বুথ লেভেল পর্যন্ত কাজের যে কৌশল সাজিয়েছিলেন, তা সত্যিই অসাধারণ।
আরও দেখুনঃ ‘বাংলায় মাদ্রাসা থেকে এপাং ওপাং ঝপাং বন্ধ হবে!’ বিস্ফোরক তথাগত
অমিত শাহের ঘনিষ্ঠ এই নেতা দীর্ঘদিন বাংলায় থেকে কর্মীদের চাঙ্গা করেছেন, কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলোকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছেন এবং তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটিগুলোতেও বিজেপির সংগঠন গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন।এই জয়ের পরই রাজ্যের বিভিন্ন স্তরের নেতারা দিল্লির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শপথ গ্রহণ, সরকার গঠন এবং ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে আলোচনার জন্যই এই ডাক। কিন্তু এর সঙ্গে সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী নিয়ে জল্পনাও শুরু হয়ে গিয়েছে।
কেউ বলছেন শুভেন্দু অধিকারী, কেউ বলছেন অন্য কোনো প্রবীণ নেতা এমন নানা নাম ঘুরছে রাজ্য রাজনীতির অলিন্দে। ঠিক এই সময় সুনীল বনসলের বক্তব্য এসেছে শান্তির বার্তা হয়ে। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, অভিনন্দনের ঢেউয়ের মধ্যেও দল এখনও মুখ্যমন্ত্রী নিয়ে কোনো আলোচনায় বসেনি। এটা দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি আস্থারই প্রতিফলন।বনসলের এই মন্তব্য অনেকের কাছে অপ্রত্যাশিত নয়। তিনি সবসময় সাংগঠনিক কাজকে প্রাধান্য দেন। বাংলায় এসে তিনি যেভাবে কর্মীদের সঙ্গে মিশে কাজ করেছেন, তা অনেক পুরনো নেতাকেও চমকে দিয়েছে।













