এবারের শুরুটা একেবারেই ভালো ছিল না মোহনবাগান (Mohun Bagan) সুপার জায়ান্টের। ডুরান্ড কাপের কোয়ার্টার ফাইনালেই পরাজিত হতে হয়েছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব ইস্টবেঙ্গলের কাছে। যেটা কিছুতেই মেনে নিতে পারেননি সমর্থকরা। সেই হতাশা ভুলে শীঘ্রই ঘুরে দাঁড়াতে বদ্ধপরিকর ছিল ময়দানের এই প্রধান। যার ফল স্বরূপ এবারের আইএফএ শিল্ড ছিনিয়ে নেয় সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। গ্ৰুপ পর্বে অনায়াসেই তাঁরা পরাজিত করেছিল গোকুলাম কেরালা এফসির পাশাপাশি ইউনাইটেড স্পোর্টস ক্লাবকে। তারপর ছিল বহু প্রতীক্ষিত ফাইনাল। সেখানেই বদলা নেয় মোহনবাগান।
ফাইনালে লাল-হলুদ বধ করে ঐতিহাসিক আইএফএ শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হয় সবুজ-মেরুন। সেই নিয়ে যথেষ্ট খুশি ছিল আপামর মোহন জনতা। পরবর্তীতে সেই ধারা সুপার কাপে বজায় রাখার লক্ষ্য থাকলেও সেটা সম্ভব হয়নি। গত মাসের শেষেই গ্ৰুপ পর্বের শেষ ম্যাচ তথা সেমিফাইনাল নির্ধারণী ম্যাচে ফের পড়শী ক্লাবের মুখোমুখি হয়েছিল মোহনবাগান। সেখানে অমীমাংসিত ফলাফলে শেষ করলেও গোল পার্থক্যের ভিত্তিতে পরের রাউন্ডে চলে আয় ইস্টবেঙ্গল। যেটা ভালোভাবে নেয়নি সমর্থকরা। সেক্ষেত্রে বারংবার প্রশ্নের মুখে পড়ে কোচের ভূমিকা।
এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে হোসে মোলিনা যে বাকি মরসুমে এই দলের দায়িত্বে থাকবেন না তা এক প্রকার নিশ্চিত ছিল। সেটাই হয়েছে শেষ পর্যন্ত। গত বুধবার সন্ধ্যায় নিজেদের সোশ্যাল সাইট থেকে তাঁর বিদায়ের কথা জানিয়ে দিয়েছিল ম্যানেজমেন্ট। সেই ঘোষণার মাত্র কিছু সময়ের মধ্যেই নতুন কোচের নাম ঘোষণা করে দিয়েছিল ম্যানেজমেন্ট। সেই অনুযায়ী বাকি সিজনের জন্য দলের দায়িত্বে এসেছেন সার্জিও লোবেরা। এবার এই স্প্যানিশ কোচের উপরেই ব্যাপক প্রত্যাশা সকলের। ইতিমধ্যেই তাঁর নির্দেশ মেনে নয়া সহকারী কোচকে চূড়ান্ত করেছে ম্যানেজমেন্ট।
তবে শোনা যাচ্ছিল যে আগামী দিনে বেশকিছু বদল হয়তো দেখা যেতে চলেছে দলের অন্দরে। সেইমতো উঠে আসতে শুরু করেছিল একাধিক ফুটবলারদের নাম। কিন্তু শেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে সেই সম্ভাবনা খুব একটা নেই বললেই চলে।
