চলতি মাসের শুরুতেই রাশিয়া সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যা নিয়ে দুনিয়াজুড়ে নানা চর্চা হয়েছে। ‘দুঃখজনক’ বলে প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। এবার ভারসাম্যের কূটনীতিতে জোর দিল দিল্লি। ২০২২ সালের পর আগামী অগস্ট মাসেই ইউক্রেনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।
বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর, রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে ইতি টানার লক্ষেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনা হতে পারে প্রধানমন্ত্রীর। ইউক্রেন আমেরিকার নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ‘নেটো’তে যোগ দিতে আগ্রহী। সেখান থেকে সরে এলেই মস্কো যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে পারে বলে ইতিমধ্যেই বার্তা দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেই বার্তাই ইউক্রেন সফরে জেলেনস্কির কাছে জোরদারভাবে পৌঁছে দিতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে, ভারত বা ইউক্রেনের পক্ষ থেকে এই সফরের বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু বলা হয়নি।
গত ১৪ জুন ইতালির আপুলিয়ায় জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে জেলেনস্কির সঙ্গে দেখা করেছিলেন মোদী। বিদেশমন্ত্রকের দেওয়া বিবৃতি অনুসারে, দুই নেতা একটি “ফলপ্রসূ বৈঠক” করেছিলেন এবং সেই সময় উভয়ই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন।
রেলপ্রেমীদের জন্য দুরন্ত খুশির খবর! ট্র্যাকে আরও ৫ বন্দে ভারত
ইউক্রেনের পরিস্থিতি এবং সুইজারল্যান্ড আয়োজিত শান্তি বিষয়ক শীর্ষ সম্মেলনের বিষয়েও মতবিনিময় করেছিলেন দুই রাষ্ট্রপ্রধান।
বৈঠকের পরে, বিদেশমন্ত্রকের তরফে উল্লেখ করা হয় যে, মোদী আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমে সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানকে উত্সাহিত করেছিলেন। প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, নয়াদিল্লি ‘শান্তিপূর্ণ সমাধানকে সমর্থন করার জন্য প্রয়োজনে সবকিছু করবে।’
Indian Railways: অদ্ভূত, ভারতীয় রেলের এই স্টেশনে ট্রেন থামে বছরে মাত্র ১৫ দিন!
তার আগে, মোদী এবং জেলেনস্কি জাপানে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে দেখা করেছিলেন।
চলতি মাসে রাশিয়া সফরে মোদী রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে একটি অনানুষ্ঠানিক বৈঠক করেন, তারপরে নভো-ওগারিওভোর শহরতলিতে পুতিনের খামার বাড়িতে নৈশভোজে যান, যা রুশ প্রেসিডেন্ট তরফে ছিল বিরল সম্মান।এই সাক্ষাতের পর, প্রধানমন্ত্রী মোদী এক্স-বার্তায় প্রেসিডেন্ট পুতিনকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন।













