
নোয়াপাড়া: রাত পোহালেই ভোট গণনা। এই আবহেই নোয়াপাড়া বিধানসভার জঙ্গল থেকে উদ্ধার হল হাজারের বেশি ভিভিপ্যাট (Noapara VVPAT)। ঘটনাটি ঘিরে রাজ্যজুড়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। নোয়াপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য এই ঘটনায় বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেছেন, “বিজেপি গণতান্ত্রিকভাবে জিততে না পেরে এই জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছে।
এটা বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের যৌথ চক্রান্ত।”তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য আরও বলেন, “জঙ্গল থেকে এতগুলো ভিভিপ্যাট উদ্ধার হওয়া গণতন্ত্রের ওপর গভীর প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিয়েছে। বিজেপি জানে, সাধারণ মানুষ তাদের ভোট দেয়নি। তাই এই ধরনের নোংরা খেলা শুরু করেছে। কিন্তু এই চক্রান্ত কখনোই সফল হবে না। রাজ্যের সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যেই তাদের মতামত ব্যালট বাক্সে স্পষ্ট করে দিয়েছেন।
আরও দেখুনঃ মুম্বইয়ের ব্যর্থতায় শুধু হার্দিক নন, দলকেই দুষলেন মনোজ তিওয়ারি
আগামীকাল গণনার পর সবাই দেখতে পাবেন, জনগণ উন্নয়নের পক্ষে রায় দিয়েছে।”ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। নোয়াপাড়ার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খবর আসছে, লোকজন রাস্তায় নেমে আলোচনা করছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব এই ঘটনাকে রাজ্যজুড়ে বড়ো করে তুলে ধরেছে। দলের জেলা নেতারা বলছেন, “এটা শুধু নোয়াপাড়ার ঘটনা নয়, পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা। বিজেপি গণতন্ত্রের নামে প্রহসন করছে।” তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য নিজে সাংবাদিকদের বলেন, “জনগণের রায়ই শেষ কথা।
গণতন্ত্রে কোনো চক্রান্ত টিকতে পারে না। আগামীকাল গণনার পর সবাই বুঝতে পারবেন, বাংলার মানুষ কাকে চায়।”বিজেপি অবশ্য এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। দলের এক নেতা বলেন, “তৃণমূল হেরে যাওয়ার ভয়ে আগে থেকেই অজুহাত তৈরি করছে। এটা তাদের পুরনো কৌশল। নির্বাচন কমিশন স্বচ্ছভাবে কাজ করছে। এই ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করে তারা জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে।”
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন পুলিশ এই ভিভিপ্যাট গুলি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তারা আটকে দেয়। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের ঘটনা গণতন্ত্রের প্রতি মানুষের আস্থা কমিয়ে দেয়। একজন বিশ্লেষক বলেন, “ভিভিপ্যাট জঙ্গলে পাওয়া যাওয়া খুবই গুরুতর বিষয়। এর সঠিক তদন্ত না হলে ভোটাররা আরও সন্দিহান হয়ে উঠবেন।













