আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে মুসলিম বিধায়ক

কলকাতা: আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কোর্ট মেম্বার পদের দায়িত্বে নিযুক্ত হলেন (Aliah University)তৃনমূলের মুসলিম বিধায়ক সওকত মোল্লা। বুধবার তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফ থেকে এই নিয়োগের কথা…

aliah-university-court-member-saokat-molla-controversy

কলকাতা: আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কোর্ট মেম্বার পদের দায়িত্বে নিযুক্ত হলেন (Aliah University)তৃনমূলের মুসলিম বিধায়ক সওকত মোল্লা। বুধবার তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফ থেকে এই নিয়োগের কথা জানানো হয়েছে। এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে ফের সরব হয়েছে রাজ্য বিজেপি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কটাক্ষ করে বলেছেন “বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ বোম বাঁধার প্রফেসর জনাব সওকত মোল্লা কে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সচিবালয়, আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কোর্ট মেম্বার পদের দায়িত্বে নিযুক্ত করেছে।

Advertisements

মনে হয় পশ্চিমবঙ্গে প্রকৃত শিক্ষাবিদের আকাল পড়েছে !” শুভেন্দু এবং তার সঙ্গে বংগো বিজেপি এই ঘটনাকে মুসলিম তোষণ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। এবং শুভেন্দু স্পষ্টতই তার বক্তব্যে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে এমন একজনকে বসানো হয়েছে যাকে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী একসময় বোমা বাঁধার দায়ে অভিযুক্ত করেছেন। রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলেছেন বাংলায় এই মুহূর্তে শিক্ষাবিদের বড়োই অভাব।

   

ঢাকায় ভারতীয় মিশনে হুমকি: ‘সেভেন সিস্টার্স’ মন্তব্যের জেরে বাংলাদেশের দূত তলব

তা নাহলে সওকত মোল্লার মত রাজনীতিবিদকে এই ধরণের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো শুধুমাত্র মুসলিম তোষণ ছাড়া আর কিছুই নয়। বিজেপির মতে হুমায়ূনের মত বিধায়ক হাতছাড়া হয়ে যেতে এখন মমতা বুঝতে পেরেছেন যে মুসলিম ভোটব্যাংকে টান পড়বে। তাই শেষ মুহূর্তে এই মুসলিম তোষণ করে মুসলিম ভোটব্যাংকে ফের তৃণমূলের করতে চাইছেন মমতা।

আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পদের জন্য তিনজনের তাদের মধ্যে একজন ছিলেন সাংসদ সুদীপ বন্দোপাধ্যায়ের স্ত্রী নয়না বন্দোপাধ্যায় এবং আমিরুল ইসলাম নামে একজন। কিন্তু সবশেষে সওকত মোল্লার ভাগ্যেই শিকে ছিঁড়েছে। তবে বিজেপি এই নিয়োগ নিয়ে কটাক্ষ করলেও পাল্টা উত্তর দিয়েছে তৃণমূল।

শাসকদলের বক্তব্য, সওকত মোল্লা একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং সামাজিক ও প্রশাসনিক কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্ট মেম্বার পদে বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রতিনিধিত্ব থাকা অস্বাভাবিক নয় বলেও দাবি তৃণমূলের। দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, এই পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে একাধিক নাম বিবেচনায় ছিল এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দলীয় ও প্রশাসনিক স্তরে আলোচনা করেই।

Advertisements