Home Politics ভোটের মাঠে চমক, ভোটের লড়াইয়ে এগিয়ে রুদ্রনীল, চন্দনা ও শঙ্কর ঘোষ

ভোটের মাঠে চমক, ভোটের লড়াইয়ে এগিয়ে রুদ্রনীল, চন্দনা ও শঙ্কর ঘোষ

Rudranil Ghosh
Election Fight: Rudranil, Chandana, and Shankar Ghosh Gain Upper Hand

প্রাথমিক ট্রেন্ড অনুযায়ী রাজ্যের রাজনৈতিক ছবিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। গণনার শুরু থেকেই আসন সংখ্যার নিরিখে এগিয়ে রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। সূত্র অনুযায়ী, চলমান গণনায় বিজেপি ইতিমধ্যেই ম্যাজিক ফিগার অতিক্রম করেছে বলে জানা যাচ্ছে। যদিও চূড়ান্ত ফল এখনও ঘোষণা হয়নি, তবুও প্রাথমিক ধাপের এই প্রবণতা রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

- Advertisement -

অন্যদিকে, ভোট পার্সেন্টেজের ক্ষেত্রে এখনও তৃণমূল কংগ্রেস (AITC) এবং বিজেপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)-এর দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৪১.৪৯ শতাংশ ভোট এবং বিজেপি পেয়েছে ৪৪.৮৮ শতাংশ ভোট। এই পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট যে, ভোটের শতাংশের নিরিখে দুই প্রধান রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে ব্যবধান খুব বেশি নয়, যা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করছে।

   

তবে আসন সংখ্যার নিরিখে ছবিটা কিছুটা আলাদা। নির্বাচন কমিশনের সূত্রে ১২টা ২৭ মিনিটে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিজেপি এগিয়ে রয়েছে মোট ১৭৮টি আসনে। অন্যদিকে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে রয়েছে ৯২টি আসনে। এই ব্যবধান আপাতদৃষ্টিতে বড় হলেও, গণনার গতিপ্রকৃতি অনুযায়ী এটি পরিবর্তিত হতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

এই প্রাথমিক ট্রেন্ডে আরও কিছু ছোট রাজনৈতিক দলের উপস্থিতিও নজর কাড়ছে। হুমায়ুন কবীরের নেতৃত্বাধীন আমজনতা উন্নয়ন পার্টি (AJUP) দু’টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বলে জানা গেছে। এটি রাজনৈতিক মহলে উল্লেখযোগ্য বিষয় হিসেবে ধরা হচ্ছে, কারণ একটি নতুন বা ছোট দল হিসেবে তাদের এই অগ্রগতি ভোটের মাঠে বিকল্প শক্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এছাড়া বামফ্রন্ট ও অন্যান্য আঞ্চলিক দলগুলিও কিছু আসনে প্রাথমিকভাবে এগিয়ে রয়েছে। সিপিএম (CPM), AISF এবং ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা (BGPM) একটিতে করে আসনে এগিয়ে রয়েছে বলে নির্বাচন কমিশনের সূত্রে জানা গেছে। যদিও এই সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম, তবুও আঞ্চলিক ও আদর্শভিত্তিক রাজনীতির অস্তিত্ব যে এখনও রাজ্যে সক্রিয় রয়েছে, তা এই ফলাফল থেকে স্পষ্ট।

Follow on Google