৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে অভিযান ঘিরে চাঞ্চল্য, মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী (CID)। তৃণমূলের পার্টি অফিসের তল্লাশি করতে আসেন CID আধিকারিকরা। তবে পার্টি অফিসে তৃণমূল ক্যাডার প্রাক্তন সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তী CID আধিকারিকদের বাঁধা দেন এবং তারা ফিরে যান।মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বাড়ির ভিতরে এই পার্টি অফিসে আজ তল্লাশি করতে আসেন CID আধিকারিকরা। কিন্তু পার্টি অফিস তল্লাশির নোটিশ দিতেই বাধা দেন তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তী। তিনি বলেন এই মুহূর্তে তিনি পার্টি অফিস দেখাশোনার দায়িত্বে আছেন। তিনি আরও বলেন এই মুহূর্তে মমতা-অভিষেক দিল্লিতে আছেন তাই এখন তল্লাশি করার অনুমতি তিনি দেবেন না। এরপরেই শুরু হয় কথাকাটাকাটি এবং এবং এখনো তারা সেখানেই আছেন পরবর্তী নির্দেশের জন্য ।
বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের একটি প্রক্রিয়া চলাকালীন কয়েকজন তৃণমূল বিধায়কের সই জাল করার অভিযোগ ওঠে। এই সংক্রান্ত একটি এফআইআর (FIR)-এর ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে সিআইডি। যে চিঠিটি নিয়ে বিতর্ক, সেটি এই ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের ঠিকানা থেকেই পাঠানো হয়েছিল বলে খবর।
আজ দুপুরে প্রায় ১৭ জন সিআইডি আধিকারিক ও স্থানীয় থানার পুলিশ ওই পার্টি অফিসে পৌঁছান। সে সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়িতে ছিলেন না। ঘটনাস্থলে উপস্থিত তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তী সিআইডি কর্মকর্তাদের সাফ জানিয়ে দেন যে, শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতিতে এবং যথাযথ পূর্ব অনুমতি ছাড়া তিনি কাউকে ভেতরে ঢুকতে দেবেন না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নোটিশ বা চিঠি দিতে আসা সিআইডি কর্মকর্তাদের সাথে শুভাশিস চক্রবর্তীর তীব্র কথাকাটাকাটি ও বিতর্ক তৈরি হয়। সিআইডি দল “অনুমতি নিতে আসিনি” বলে জানালেও শেষ পর্যন্ত কোনো তল্লাশি চালাতে না পেরে তারা দাঁড়িয়ে আছেন পরবর্তী নির্দেশের জন্য ।




















