কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গডকরি, (Nitin Gadkari) জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা এবং মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ সম্প্রতি ১৩.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ জোজিলা টানেলের অভ্যন্তরীণ অংশ পরিদর্শন করেন। এই বহুল প্রতীক্ষিত প্রকল্পটি জম্মু ও কাশ্মীরকে লাদাখের সঙ্গে সারাবছর সংযুক্ত রাখার ক্ষেত্রে এক ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হিমালয়ের কঠিন ভূপ্রকৃতি এবং চরম আবহাওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা সীমিত ছিল। বিশেষ করে শীতকালে ভারী তুষারপাতের কারণে জোজিলা পাস দিয়ে যাতায়াত প্রায় বন্ধ হয়ে যেত, ফলে লাদাখ কার্যত দেশের বাকি অংশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ত। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হিসেবেই জোজিলা টানেল প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। (Nitin Gadkari) পরিদর্শনের সময় নীতিন গডকরি টানেলের নির্মাণ অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন এবং প্রকৌশলীদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি জানান, এই টানেল শুধু একটি অবকাঠামো প্রকল্প নয়, বরং এটি কৌশলগত, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক সংযোগের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। সরকারের লক্ষ্য হলো দ্রুত কাজ শেষ করে এই অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করা।
মনোজ সিনহা এবং ওমর আবদুল্লাহও প্রকল্পের (Nitin Gadkari) অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, এই টানেল চালু হলে লাদাখের মানুষের জন্য স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং বাণিজ্যিক সুযোগ-সুবিধা অনেক সহজ হয়ে যাবে। পাশাপাশি পর্যটন খাতেও বড় পরিবর্তন আসবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে। (Nitin Gadkari) জোজিলা টানেল প্রকল্পটি বিশ্বের অন্যতম জটিল পর্বত টানেল প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। উচ্চ উচ্চতা, কঠিন শিলা গঠন এবং চরম আবহাওয়ার কারণে নির্মাণ কাজ অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। আধুনিক প্রযুক্তি এবং বিশেষ প্রকৌশল কৌশল ব্যবহার করে এই কাজ এগিয়ে চলছে। প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে এটি ভারতের অন্যতম দীর্ঘ ও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক টানেল হিসেবে গণ্য হবে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই প্রকল্পকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখছেন। তাঁদের মতে, সারা বছর যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু থাকলে লাদাখ অঞ্চলে পণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় কমবে। পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা সেবা পাওয়া সম্ভব হবে, যা আগে প্রায় অসম্ভব ছিল।



















