
হাবরায় এসে রাজ্যের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় দাবি করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ও সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। তিনি বলেন, “বিজেপি ১৮০ আসন নিয়ে এই রাজ্যে সরকার গড়তে চলেছে, শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা ও বিতর্ক। হাবরায় একটি দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে শান্তনু ঠাকুর রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও প্রশাসনিক কাজকর্ম নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উঠে আসে শাসকদলের বিরুদ্ধে সমালোচনা এবং বিজেপির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক শক্তি নিয়ে আত্মবিশ্বাস। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের মানুষ পরিবর্তন চাইছে এবং সেই পরিবর্তনের দিকেই এগোচ্ছে রাজনৈতিক পরিস্থিতি।
শান্তনু ঠাকুরের মতে, রাজ্যের বিভিন্ন স্তরে জনঅসন্তোষ বাড়ছে। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং স্বচ্ছ প্রশাসন চায়, কিন্তু বর্তমান সরকার সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। সেই কারণেই বিজেপির প্রতি মানুষের সমর্থন ক্রমশ বাড়ছে বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর কথায়, “মানুষ এখন বিকল্প খুঁজছে এবং সেই বিকল্প হিসেবে বিজেপিকে দেখছে।” তিনি আরও বলেন, বিজেপির সংগঠন রাজ্যের প্রতিটি জেলায় শক্তিশালী হচ্ছে এবং নিচুতলা থেকে সমর্থন বাড়ছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, দলীয় কর্মীরা ধারাবাহিকভাবে কাজ করছেন এবং আগামী দিনে এই পরিশ্রমের ফলেই বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটবে। ১৮০ আসন জয়ের দাবি করে তিনি কার্যত রাজ্যের ক্ষমতায় আসার আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন। হাবরার সভায় শান্তনু ঠাকুর স্থানীয় স্তরের সমস্যাগুলিও তুলে ধরেন বলে জানা যায়। তিনি বলেন, মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা, যেমন কাজের সুযোগ, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং পরিষেবা নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে। তাঁর মতে, এই সমস্ত বিষয়ই আগামী নির্বাচনে বড় ভূমিকা নেবে।
এদিনের বক্তব্যে তিনি কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন এবং দাবি করেন যে কেন্দ্রের প্রকল্পগুলি রাজ্যে সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে আরও উন্নয়ন সম্ভব। তাঁর বক্তব্যে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের ইঙ্গিতও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

