
কলকাতা: বাংলার ভোটের ময়দান গরম হতে শুরু করেছে অনেক আগেই, তবে ভোট ঘোষণা হওয়ার পর রাজনৈতিক লড়াই যেন আরও তীব্র আকার নিয়েছে। একদিকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই দ্বৈরথই এখন বাংলার রাজনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দুতে। বিশেষ করে প্রচারের সংখ্যার নিরিখে অমিত শাহ যেন এই লড়াইয়ে এক ধাপ এগিয়ে রয়েছেন।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রথম দফার ভোটকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই অমিত শাহর ৩০টি কর্মসূচি নির্ধারিত হয়েছে। এই বিপুল সংখ্যক সভা, রোড শো এবং সাংগঠনিক বৈঠক স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে বিজেপি বাংলায় কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ। ভোট ঘোষণার আগেই পদ্ম শিবির রাজ্যে ঝোড়ো প্রচার শুরু করেছিল, আর ঘোষণার পর সেই গতি যেন বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-র কর্মসূচিও কম নয়। প্রথম দফায় তাঁর ১১টি সভা নির্ধারিত হয়েছে। সাধারণত মোদীর সভা মানেই বড় জনসমাগম এবং ব্যাপক প্রচার ফলে এই ১১টি সভাই বিজেপির প্রচারে বড় ভূমিকা নেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
এছাড়াও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ-এরও ১১টি কর্মসূচি ঠিক হয়েছে। বাংলার ভোটে তাঁর উপস্থিতি বরাবরই বিজেপির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে হিন্দুত্ববাদী ভোটব্যাঙ্ককে সক্রিয় করতে। বিজেপির এই সর্বাত্মক প্রচারে শুধু এই তিনজনই নন, কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের আরও একাধিক শীর্ষ নেতা অংশ নিচ্ছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর ৬টি কর্মসূচি নির্ধারিত হয়েছে। একইভাবে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে. পি. নাড্ডা-রও ৬টি কর্মসূচি রয়েছে।পরিকাঠামো ও সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নীতিন গডকরি-এর কর্মসূচি তুলনামূলকভাবে কম মাত্র ২টি।

