
ভরতপুর (মুর্শিদাবাদ) বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir) সদ্য গঠিত জনতা উন্নয়ন পার্টি (JUP)-র প্রতিষ্ঠাতা, আগামী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ‘কিংমেকার’ ভূমিকা পালনের ইচ্ছা প্রকাশ করে বলেছেন যে তিনি তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)-কে ক্ষমতায় ফেরানো থেকে বিরত রাখতে চাইলে বিজেপির (BJP) পক্ষে বাইরের সমর্থন দেবেন। তিনি পরিষ্কার করে দিয়েছেন যে তিনি বিজেপিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানাবেন না, তবুও “যদি তারা তৃণমূলকে আটকাতে আমাকে সাহায্য করে, আমি তাদের বাইরের সমর্থন দেব।”
হুমায়ুন কবীরের (Humayun Kabir) এই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত তার নিজের দলের ঘোষণা ও তৃণমূল থেকে বহিষ্কারের পর এসেছে। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক ছিলেন, কিন্তু মামলার পর সামাজিক ও রাজনৈতিক আলোচনার কারণে দলের সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে চলে যায়। বিশেষ করে তিনি বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করার ঘোষণা দিয়ে তৃণমুলের ভিতরে বিতর্ক সৃষ্টি করেন, যা দলের সাম্প্রদায়িক সমর্থনের নীতির বিরুদ্ধে বলে দলের মনোনীত নেতারা মনে করেন। এর পরই তাঁকে তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
অন্যদিকে হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir) উল্লেখ করেছেন যে এই মসজিদে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের যোগসূত্র শক্তিশালী হবে এবং তা ধর্মীয় সহনশীলতার সঙ্গে তৈরি করা হবে, কিন্তু রাজনৈতিক বিতর্কে এই ইস্যুটি বিজেপি ও তৃণমূল উভয় পক্ষ থেকেই বিরোধের জন্ম দিয়েছে।(Humayun Kabir) বিজেপি এটিকে ‘অসম্ভব ও অবৈধ’ বলে উল্লেখ করছে এবং তৃণমূল এটিকে দলীয় নীতি বিরুদ্ধ বলে সমালোচনা করেছে।

