HomeKolkata Cityনা জানলে ঘোর বিপদ, আজ থেকেই পাল্টাচ্ছে শেষ মেট্রোর সময়

না জানলে ঘোর বিপদ, আজ থেকেই পাল্টাচ্ছে শেষ মেট্রোর সময়

কলকাতা মেট্রোর উত্তর-দক্ষিণ রুটে (ব্লু লাইন) সোমবার (২৪ জুন, ২০২৪) থেকেই বদলে যাচ্ছে শেষ মেট্রোর সময়সূচী। আর রাত ১১টায় দমদম ও কবি সুভাষ থেকে মেট্রো ছাড়বে না। বদলে দুই প্রান্তিক স্টেশন থেকে শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত ১০.৪০ মিনিটে। সোম থেকে শুক্রবার দমদম থেকে রাত ১০.৪০ মিনিটে ও কবি সুভাষ থেকে রাত ১০.৪০ মিনিটে শেষ মেট্রো পরিষেবা মিলবে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পরীক্ষামূলকভাবে সোম থেকে শুক্র রাত ১১টার দুই প্রান্তিক স্টেশন থেকে মেট্রো পরিষেবা চালানো হয়েছিল। তবে, যাত্রী না হওয়ায় অতিরিক্ত খরচের কারণে মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, রাত ১১টার বদলে শেষ মেট্রো রেল ছাড়বে রাত ১০টা ৪০ মিনিটে।

   

একেবারে নতুনভাবে ধরা দেবে দিঘার সমুদ্র সৈকত! বেনজির উদ্যোগ প্রসাশনের

উল্লেখ্য, কলকাতার তুলনায় অন্যান্য মেট্রো শহরে রাতের শেষ মেট্রো পরিষেবা অনেক বেশিক্ষণ মেলে। ফলে অফিসে কাজ সেরে দেরিতে বাড়ি ফিরতে পারেন। কিন্তু কলকাতায় শেষ মেট্রো পরিষেবা মেলে ৯.৪২ মিনিটে। যাত্রীদের দাবি ছিল মেট্রোর সময় সীমা বাড়ানোর জন্য। সেই দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক মেট্রো যাত্রী। আদালত পুরোটাই মেট্রো রেলের উপর ছেড়ে দিয়েছিল। আদালতের নির্দেশে গত ২৪ মে থেকে সোম থেকে শুক্র প্রান্তিক স্টেশন থেকে রাত ১১টায় একটা বিশেষ মেট্রো চালানো শুরু হয়। তবে, স্টেশনে ঢোকার অধিকাংশ গেট বন্ধ থাকে। ফলে অনেক যাত্রীই ঢোকার পথ খুঁজে পাননি।

মেট্রো কর্তৃপক্ষের দাবি, রাতে আপ-ডাউন মিলিয়ে দুটি মেট্রোয় দিনে গড়ে ৬০০ জন করে যাত্রী হচ্ছে। তাতে টিকিট থেকে রোজগার হচ্ছে ৬০০০ টাকা। আর তার কয়েক গুণ খরচ রাতের মেট্রোর পরিষেবা সচল রাখতে। আর সেখানেই রাত ১১টা পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে চিন্তায় পড়েন কলকাতা মেট্রো রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ফলে খরচের দোহাই দিয়ে রাত্রীকালীন মেট্রো পরিষেবা বন্ধ করা হয়।

সপ্তাহের প্রথম দিনই ভোগান্তি শিয়ালদহ মেন শাখায়! জেনে নিন ভোগান্তির কারণ

Kolkata24x7 Team
Kolkata24x7 Teamhttps://kolkata24x7.in
আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

এই সংক্রান্ত আরও খবরর

এই বিভাগের আরও খবর